দেশ”

বাংলা এবং দেশ! দুইটা শব্দের জন্য জানবাজি ধরা হয়েছিল।

রক্তে জল রক্তাক্ত হয়েছিল। ৫২ এবং ৭১ রে। কিন্তু বাংলা এবং দেশ এখন অসহায়।

আহ! কষ্ট হয়। কষ্টে অন্তর ক্লিষ্ট হয়। কিন্তু কিছুই করার নেই।

বাংলা এবং দেশ শব্দ এখন আর কেউ ভালোবাসে না।

অর্ধাঙ্গিনী

ধ্যানের ধনি, কল্পনার কামিনী। যে আমাকে সঙ্গ না দিলে আমি নিঃসঙ্গ হই। যার হাবভাব ভাষায় ব্যক্ত না করলে আমার লেখালেখি পূণর্াঙ্গ হয় না। যে আমার সৃজনশীলতার আত্মা। অনিমিখে যার দিকে তাকালে প্রতু্যত্পন্নমতিত্ব উদ্বলে উঠে, আমি কল্পনাপ্রবণ হই। যার হাস্যধ্বনি আমার আনন্দশক্তি। যে নিরানন্দ হলে আমি বিমনা বিবাগী হই। দুশ্চিন্তায় হতাশ্বাস বিদিশা হলে, দু হাতে আমার হাত ধরে। মাথা দিয়ে ইশারা করে বলে, ঔ তো গন্তব্য দেখা যাচ্ছে। হাঁটতে থাকো। আমি তো তোমার সাথেই আছি। জানো! তোমার সঙ্গ আমার জন্য স্বর্গসুখ। তোমার বিরহ নারকীয়। অত্যাগসহন বন্ধু, তুমিই আমার সুখানন্দ। আপাতদৃষ্টিতে যাকে দেখে আমি রূপকানা হয়েছিলাম। সুখবাসরে মুখোমুখি হয়ে যাকে বলেছিলাম, তুমি ততো দিন প্রাণবন্ত থেকো যত দিন আমার হাতে কলম থাকবে। যে দিন দু হাত অবশ হবে সে দিন তোমাকে বাজুতে টেনে অমরাবতী চলে যাব। সে আমার অর্ধাঙ্গিনী। যাকে ছাড়া আমার স্বর্গ ম্রিয়মাণ হবে।

ষোলআনা

অহর্নিশি আমারে কাঁদিয়ে তোমরা কি আনন্দ পাও?
দুঃখকে আমি ভালো বাসি জানি সুখ তোমরা চাও।
মন বিমনা হয়ে উড়তে চায় ময়ূরসিংহাসন হয় দখিনা বাও,
সুখপাখিকে দেখি মিমর্ির চোখে হায় সুখ হয়ে যায় উধাও।
ষোলআনা দিলাম গো পেটরা খুলে তবু বলে আরো দাও,
আমি অখন পর হতে চাই গো আমার লাগি বাসর সাজাও।

 

সত্য ধার্মিক

আজ একটা গল্প লিখতে মন চাইছে, গল্পটা হল এক বোকাকে নিয়ে। তো বোকাটায় কি করেছিল? জোয়ান কালে তিড়িংবিড়িং করে অনেক কিছু করেছিল। ভালো রুজি করেছে, প্রেম করেছে একাধিকবার। ভালো গাড়ি ভালো কাপড় ব্যবহার করত। কিন্তু কখনো বুদ্ধি ব্যবহার করেনি। ভেবেছিল জীবনটা তিড়িংবিড়িং করেই কেটে যাবে। বিয়ে সংসার হওয়ার পরও তার তিড়িংবিড়িং থামেনি। সে তার আগের মতই তিড়িংবিড়িং করতে থাকে। সংসারে সমস্যা শুরু হয়। সুখেবাসরে আগুন লেগে সব কিছু পোড়ে ছারখার হয়ে যায়। লোকজন তাকে উপদেশ দিতে শুরু করে। কেউ ধমকিয়ে বলে, জীবন ছিনিমিনি খেলা নয়। কেউ বলে, তোকে জানে মেরে ফেলবো। কেউ তাকে সান্ত্বনা দেয়। একটা কথা মনে রাখতে হবে, কিছু ভাংলে তা আর জোড়া লাগে না। জারি-জুরি করলে সমস্যা মহাসমস্যা হয় এবং জোরাজুরি করলে হাত পা কাটে। তাহলে সমাধান কি? আমরা মানুষ। মনে প্রেম এবং ঘৃণা থাকে। আমরা তাকেই ঘৃণা করতে পারি যাকে ভালোবাসি। অপরিচত একজনকে ঘৃণা করা যায় না। ক্ষমা পরম ধর্ম এবং মহৎ গুণ। কিন্তু সব সময় এবং সবাইকে ক্ষমা করা যায় না। বোকার জন্য একমাত্র সামাধান হল, তাকে ধার্মিক হতে হবে। ধার্মিকরা আল্লাহর খুশির জন্য ত্যাগ সাধনা করে। সবকথার শেষ কথা, সুখি হতে হলে সত্য ধার্মিক হতে হয়।