অর্ধাঙ্গিনী

ধ্যানের ধনি, কল্পনার কামিনী। যে আমাকে সঙ্গ না দিলে আমি নিঃসঙ্গ হই। যার হাবভাব ভাষায় ব্যক্ত না করলে আমার লেখালেখি পূণর্াঙ্গ হয় না। যে আমার সৃজনশীলতার আত্মা। অনিমিখে যার দিকে তাকালে প্রতু্যত্পন্নমতিত্ব উদ্বলে উঠে, আমি কল্পনাপ্রবণ হই। যার হাস্যধ্বনি আমার আনন্দশক্তি। যে নিরানন্দ হলে আমি বিমনা বিবাগী হই। দুশ্চিন্তায় হতাশ্বাস বিদিশা হলে, দু হাতে আমার হাত ধরে। মাথা দিয়ে ইশারা করে বলে, ঔ তো গন্তব্য দেখা যাচ্ছে। হাঁটতে থাকো। আমি তো তোমার সাথেই আছি। জানো! তোমার সঙ্গ আমার জন্য স্বর্গসুখ। তোমার বিরহ নারকীয়। অত্যাগসহন বন্ধু, তুমিই আমার সুখানন্দ। আপাতদৃষ্টিতে যাকে দেখে আমি রূপকানা হয়েছিলাম। সুখবাসরে মুখোমুখি হয়ে যাকে বলেছিলাম, তুমি ততো দিন প্রাণবন্ত থেকো যত দিন আমার হাতে কলম থাকবে। যে দিন দু হাত অবশ হবে সে দিন তোমাকে বাজুতে টেনে অমরাবতী চলে যাব। সে আমার অর্ধাঙ্গিনী। যাকে ছাড়া আমার স্বর্গ ম্রিয়মাণ হবে।