দেশ”

বাংলা এবং দেশ! দুইটা শব্দের জন্য জানবাজি ধরা হয়েছিল।

রক্তে জল রক্তাক্ত হয়েছিল। ৫২ এবং ৭১ রে। কিন্তু বাংলা এবং দেশ এখন অসহায়।

আহ! কষ্ট হয়। কষ্টে অন্তর ক্লিষ্ট হয়। কিন্তু কিছুই করার নেই।

বাংলা এবং দেশ শব্দ এখন আর কেউ ভালোবাসে না।

অভিশাপ নয়,

সমাধান পেতেই হবে।
ভোট দেবার সময় এবং পরে আমরা এ কথা জিজ্ঞেস করি না যে, খাবার কি আমরা পাব না সব আপনারাই খাবেন?
বিদেশ থেকে লক্ষ কোটি টাকা সাহায্য দেওয়া হয়। ক্ষমতায় যারা আছে তাদের ব্যাংকের হীসাব তো সবার জানা, তাহলে দেশে এই হাহাকার কেন?
শিশু শ্রম, বৃদ্ধ শ্রম; নারী অধিকার নিয়ে দলাদলি লাটালাটি হয়। ক্ষমতায় যাবার জন্য হতবোমা ফুটানো হয়। লগি বৈটা নিয়ে মিছিল করে মানুষ খুন করা হয়, এ সবের কারণ তো একটাই আর তা হল টাকা! টাকায় কার ছবি থাকবে, কে দেশ স্বাধীন করল!
আরে বাবা দেশ তো আমাদের, আমরাই জান রক্ত মান দিয়ে দেশ স্বাধীন করেছি। আমরা গরিব এবং অশিক্ষিত তাই সব কিছু বুঝি না। পেটে যখন ভুখ লাগে তখন চারটা ভাত চাই, থোড়া সালন চাই; গরম বা ঠাণ্ডায় কিছু আসে যায় না। তা কেন যে আমরা বুঝি না? হায় মাতম করে নিজেরাই বজ্রাহত হই, তাদের জন্য দোয়া করে নিজেরাই ভাগ্যহত হই; কিন্তু কেন!? মানবতার জন্য! কিন্তু ওরাতো মানবতার অর্থ কি জানে না, খিদা ওরা কখনো অনুভব করে না। বেমার অসুখ কি ওরা কখনো অভিজ্ঞতা করেনি। হুট করে বিদেশ চলে যায়।
কিন্তু আমরা!
আমরা যারা দিন রাত মাথার ঘাম পায়ে ফেলে গায়ে খেঁটে থালায় চারটা ভাত এবং থোড়া সালন পাই না, তারাই দেশ স্বাধীন করেছি; তারাই ভোট দিয়ে তাদেরকে ক্ষমাতায় দিয়েছি।
কেন!?
শুধু থোড়াই সুখের জন্য, চারটা ভাত এবং থোড়া সালনের জন্য।
নাকি উপোস মরে দোজখে যাবার জন্য?
হায় রে পুড়া কপাল, হায়রে দারুন পেট!!!
থোড়াই সুখ এবং চারটা ভাতও পাতে পড়ে না।
ইয়া খোদা তুমি তাদেরকে হিদায়াত দাও, না হয় ধ্বংস করো ওদেরকে যারা আমাদের সাথে বার বার প্রতারনা করছে। আমিন।