Spiritual song

গানের লিংক

রাণো বন্ধু রে বন্ধু ফিরে আও ঘরে, ২
তোমার বিহনে সোনার তনু পইড়া আছে ঘরের দোয়ারে,
প্রাণো বন্ধু রে বন্ধু
নিথর দেহ মুখে নাই রা মনের দুক্ক খুলে বলব কারে?
বন্ধু তুমি নাই মোর বুকের মাঝারে,
 প্রাণো বন্ধু রে বন্ধু ফিরে আও ঘরে।
প্রাণো বন্ধু রে বন্ধু মনের দুক্ক মনে রইল অনুতাপ অন্তরে, 
ঘোর নিদানে বান্ধব নাই কেউ,
সাথী নাই মোর আইন্ধার কইবরে, 
প্রাণো বন্ধু রে বন্ধু ফিরে আও ঘরে, ২

 

আমি মুক্তিযোদ্ধা

 link for the song

একাত্তরে যুদ্ধ করেছি আমি মুক্তিযোদ্ধা আমাকে ফাঁসিতে ঝুলা,
রাজাকার আলবদর ওরা সেচ্চাসেবী ছিল
রাজাকার আলবদর দেশদ্রোহীর বিচার তোরা জীবনেও করতে পারবি না, তোরি মেরুদণ্ডহীন বুজদিল, তোমারে বুকে পুটি মাছের জান, জ্ঞান নেই তোদের মাথায় আবর্জনায় ভরা তোদের মজ ভোনাও মজা হবে না, দেশ কি তোরা জানিস না, স্বাধীনতার অথর্ তোরা কখনই বুঝতি পারবি না, পারলে আমাকে তোরা ফাঁসিতে ঝুলা।

দোষ যত আমার, শত দোষে দোষী আমি দেশ স্বাধীন করার সময় অনেক নরপশু খুন করে খুনি হয়েছি, আমার চোখের সামনে ভাই বান্ধব বন্ধুকে গুলি করে মেরেছে আমি দেখেছি শত শত কোমারী কলঙ্কিত হয়ে গলায় দড়ি দিয়েছে একাত্তরে যুদ্ধ করেছি আমি মুক্তিযোদ্ধা, আমাকে তোরা ফাঁসিতে ঝুলা।

রাজাকার আলবদর তোদের বন্ধু বান্ধব আমি তোদের েকউ নয়, আমার বুকে শুধু জ্বালা, হাতে টাকা নেই, পেটে ভাত নেই, ভাতার জন্য চার হায়ন ধন্যা দিয়েছি আমি কানাকড়ি পাইনি, আমার সনদ নেই, চিহ্নিত রাজাকাররা আজ মুক্তিযোদ্ধা তাদের উপাধিপত্র আছে দালানকোঠা, আমার বাড়িঘর ঝড়ে উড়ে গেছে যুদ্ধ করে সর্বহারা হয়েছি একেলা, আমি মুক্তিযোদ্ধা আমাকে তোরা ফাঁসিতে ঝুলা।

একা সাগর রক্ত দেওয়া হয়েছে, আরেক ফোঁটা দেব আমি নিজেকে স্বাধীন করবই, বাঁচতে চাইলে বাংলাদেশ ছেড়ে পালা তোরা পালাতে পারবে না, সদা জাগ্রত বাংলার দামাল ছেলেরা তোদেরকে ছাড়বে না, অনকে জল করেছ ঘোলা আর নয় অবহেলা, মুক্তির জন্য যুদ্ধ করেছি আমি ফেরৎ চাই আমার স্বপ্নীল বাংলা।

‘মরমিয়া গো’

মরমিয়া গো (গান)

মরমিয়া গো মরমিয়া গো!
মনের দুক্ক কইবার মত মুহুর্ত নাই গো,
বসয় হইছে দাঁতে নড়ছে চালাশিয়া ধরছে,
উঠতে বইতে কষ্ট লাগে, মনে থাকে না গো;
মরমিয়া গো মরমিয়া গো।
মনের দুক্ক মনের মাঝে নিম গাছ ওইছে
অমৃত অখন আমার মাঝে আর নাই গো,
মরমিয়া গো মরমিয়া গো
মিটা কথা তিতা লাগে মধু খাইলে ওয় না
ভালা করলে বুরা ওইযায় সুফল পাই না,
মরমিয়া গো মরমিয়া গো,
মনের কথা কইবার মত মুহুর্ত নাই গো।

মানবতার দোহাই!

সব কিছুরই সফলতা বা বিফলতা আছে। ভালো অথবা মন্দ, পাপ বলো আর পূর্ণ। সব কিছুইর কর্মফল ভোগ করতেই হয়। আমি লেখা লেখি করি, তা তো অনেকেরই জানা। একটা কবিতা রেকড করার জন্য আমি মিউজিক কম্পুজিং শিখেছি। আমি গানের নিয়ম কানুন জানি না, তবুও গান গাওয়ার চেষ্টা করি। কেন করি তার আসল কারণ হল, কাগজে লেখা শব্দের চেয়ে বাজনার সাথে শব্দ বেশী শব্দ করে। বাতাসে ভেসে এদেশ থেকে অন্য দেশে যেতে পারে সহযে। আর সেই শব্দে যদি শ্রুতিমধুর সংগীত থাকে তাহলেতো ইলাহি কাণ্ড! হাভাতের সামনে ভাত দিলে যা হয় তার চেয়েও বেশী হুলস্থুল পড়ে।

আমি গান গেয়ে জনপ্রিয় ধনী হবার জন্য মিউজিক কম্পুজিং শিখিনি। শিখেছি আমার কলাকুশল প্রকাশ করার জন্য। আমি জানি আমার গল্প কবিতা উপন্যাস এত সহযে বাজার পাবে না কিন্তু নতুন শৈলে নতুন গান বাজারে ছাড়লে অনেক টাকা আয় হবে।

আমি জানি গান বাজনা হারাম। কিন্তু একটা কথা মনে রাখতে হবে, যে এক বেলা ভাত খেতে পারে না তার জন্য কিন্তু সব হালাল। যা আমার জন্য হারাম তা গিরবের জন্য হালাল। যেমন যাকাত! যাকাত শুধু গরিবের জন্য। ধনীদের জন্য হারামা। তদ্রুপ কোরবানির মাংস।

হ্যাঁ এখন আসল কথা হল, ব্লগে আমরা অনেকই কবিতা গীতিকবিতা লেখি। অনেক গায়ক এমন কি প্র মিউজিক কম্পুজাররাও আছেন।

গরিবদের জন্য কি কিছু করা যায় না? এমনিতেই ব্লগে অনেক সময় আমরা দেই, মানবতার জন্য কি থোড়া সময় আমরা দিতে পারব না?

অনেক কিছু লেখার আছে কিন্তু লিখে কি হবে?

মনের কথা ভাব এবং ভাষায় প্রকাশ করার আমারো জন্মাধিকার আছে তাই কিছু লিখলাম।

 

মনবতা! যার সামনে হালাল হারাম হয় হারাম হয় হালাল। স্বত্ব কবিআব্দুল

১২ মাসে ১৩ বলি

ভাইজান, ও ভাইজান!

আমি মাটির গতরে মা বাংলা মাটি আছে।

আমি বাংলার অবলার নাড়ী কাটা ধন।

আমি যদি ম্যাঁও না ধারি তাইলে কে আর ধরব।

মোই কসম করেছি,

ওরা যেমতে আমাদেরকে ছাগল মেড়ার মত বলি দিচ্ছে

মান্নত করে আমিও তাই করব।

আমি বার মাসে ১৫ টা বলি দেব।

অখন কইবেন ২ বেশী কেন।

দুই ঈদও কুরবানি দেওয়া যায়।

তাইতো, হাত বোমা সবার হাতে দিতে হবে।

ক্লিনিক দেখলেই ছোঁড়ে মারার জন্য।

ক্লিনিক থেকে ডাক্তার নামক পিশাচরা টাকা পায়,

তাই সবাইকে বলে ক্লিনিকে যাও, আর নর বলি দাও!