“I have forgotten how to write poem”

“কবিতা লিখতে ভুলে গেছি”

আজ অনেক বছর হয়,
আমি মনের দুঃখে কেঁদে আখি জল ভাসাইনি,
মাথা নত করিনি ব্যথার ভারে,
বিধায় ঝর ঝর করে অশ্রু ঝরেনি আখি থেকে,
হতবাক হয়ে সামনে তাকিয়ে থাকিনি,
বিধায় কান্নাবিন্দু ধারা হয়ে গণ্ড বেয়ে বুক ভাসায়নি,
আজ অনেক দিন হয় আমি দুঃখকে অনুভব করিনি,
আমি হয়তো সুখী মানুষ,
বিধায় সুখ রাহু হয়ে দুঃখকে গ্রাস করেছে,
আমি এখন আর নির্জনে বসে দুঃখ নিয়ে ভাবি না,
ভাবাতে পারি না, কারণ আমি এখন কবিতা লিখি না,
সংসার বড় হয়েছে, মেয়েকে বিয়ে দিতে হবে,
নিজে ভালো গাড়ি একটা কিনতে চাই,
পারলে বাড়িও একটা কিনব,
কিন্তু বালিশের নিচে যা টাকা আছে তা দিয়ে হবে না,
বিধায় কাজ শুরু করেছি,
রোজি হচ্ছে, টাকাও জমা হচ্ছে,
কিন্তু কবিতা লিখা হচ্ছে না, হয়তো আর হবেও না,
কারণ আমার কবিতারা আমাকে ফতুর করেছে,
অর্থকষ্টে আমি অনেক ভোগেছি, কেঁদেছিও,
তবে কি কবিতার চেয়ে টাকার মূল্য বেশী?
হয়তো, কারণ গরিব কবির কবিতা কেউ পড়ে না,
পত্রিকায় ছাপায় না, ছাপাতেও চায় না,
বলে নতুন লেখকের লেখা আমরা ছাপাই না।
আজব দুনিয়ায় বসবসা করছি,
যে দুনিয়ায় গিরব লেখক নতুন হয়,
কিন্তু ধনি লেখক অনেক পুরাতন।
দূর ছাই কি সব দুনিয়ার বার কথা লিখছি,
কারণ আমার দুনিয়ায় আমড়া গাছ দিয়েও ঢেকি হয়,
কিন্তু দুঃখ দিয়ে কবিতা হয় না,
বিধায় এসব দিয়ে কোনো দিনই হবে না কবিতা হয়নি।

O poet write a poem for me

 

 

হে কবি আমাকে একটা কবিতা লিখে দাও

 

যে কবিতায় থাকবে আমার না বলা কথা,

ছন্দে থাকবে আমার মনরে সব ব্যথা।

যা আমি আমার মানসীকে বলতে পারিনি,

যে গান আমি গাইতে পারিনি,

যে সুর আমি দিবাতন গুনগুনাই,

সেই সুরে মোহান বাশি বাজাও।

হে কবি, তোমার কবিতাতে আমার মনের কথা লেখ,

আমার নয়ন জলে কালি বানিয়ে,

আমার স¡প্নকে কাগজ বানিয়ে,

আমার জন্য একটা মিলন সুখের কবিতা লেখে দাও,

যা পড়ে মনের সব ব্যথা যন্ত্রণা হবে উদাও।

হে কবি আমাকে একটা কবিতা লিখে দাও।